ই-পেপার | বৃহস্পতিবার , ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামের ৬২৬ কারখানার শ্রমিকেরা বোনাস পাবেন কখন?

নিজস্ব প্রতিনিধি:

একদিন বাদেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো পর্যন্ত চট্টগ্রামের ৬২৬টি কারখানায় ঈদের বোনাস দেয়া হয়নি। এছাড়া ২৬টি কারখানা শ্রমিকদের মে মাসের বেতন পরিশোধ করেনি। যদিও আগামীকাল দুপুরের মধ্যে সব ধরনের বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন কারখানা মালিকরা।

 

বিজিএমইএ বলছে, ঈদের পাঁচদিন আগে সব শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ কারখানা বেতন পরিশোধ করেছে। আগামীকালের মধ্যে শতভাগ বেতন-বোনাস নিশ্চিত করা হবে।

শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৪৭০টি পোশাক কারখানা রয়েছে। বড় বড় কারখানার পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছে মাঝারি, ক্ষুদ্র ও চুক্তিভিত্তিক (সাব-কন্ট্রাক্ট) প্রতিষ্ঠানের নাম। এরমধ্যে চট্টগ্রামে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত ৯১টি, বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত ১৪০টি কারখানা রয়েছে।

চট্টগ্রামের ১ হাজার ৪৭০টি পোশাক কারখানার মধ্যে ১ হাজার ৪৪৪টি কারখানায় মে মাসের বেতন পরিশোধ করেছে। পাশাপাশি ৮৪৪টি কারখানা ঈদের বোনাসও পরিশোধ করেছে। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের ৬২৬টি কারখানার শ্রমিকরা বোনাস পায়নি।

গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান সিভয়েসকে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কারখানায় যোগাযোগ রাখছি। এখনো পর্যন্ত কারো কাছ থেকে কোন সমস্যার কথা শুনিনি। অধিকাংশ কারখানার শ্রমিক ভাই-বোনেরা বেতন পেয়েছে। দ্রুত সবাই বোনাসও পেয়ে যাবে। আশা করছি কোন সমস্যা হবে না।

বিজিএমইএর প্রথম সহ সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম সিভয়েসকে বলেন, ঈদের পাঁচ দিন আগে বেতন-বোনাস পরিশোধ করার নির্দেশনা ছিল। কার্যাদেশ কমায় আমাদের অধিকাংশ কারখানাতে আর্থিক সংকট চলছে। তবুও সকলে চেষ্টা করছে বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে। আমাদের তালিকাভুক্ত সকল কারখানা ইতোমধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধ করে দিয়েছে। বাকিরাও দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে। শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে আমরা সাত সদস্যের ‘ক্রাইসিস কন্ট্রোল রুম’ নামে একটি মনিটরিং টিম গঠন করেছিলাম। বেতন-বোনাস নিয়ে সমস্যা হতে পারে এমন কোন শঙ্কা নেই।

চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ইন্টেলিজেন্স এন্ড মিডিয়া) সেলিম নেওয়াজ সিভয়েসকে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত সবকিছু তদারকি করছি। কারখানা মালিকরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধের চেষ্টা করছে। এখন পর্যন্ত শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ এ ধরনের কোন সমস্যা তৈরি হয়নি। শেষদিকে এসে যেন কোন ধরনের সমস্যা না হয় সেদিকে আমাদের নজর আছে। আশা রাখছি কোন ধরনের সমস্যা আর হবে না।সূত্র:সিভয়েস২৪।

 

নুর মোহাম্মদ, সিএনএনবাংলা২৪