ই-পেপার | বৃহস্পতিবার , ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

‘২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ আজকের শিক্ষার্থীদের হাতে’

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ আজকের শিক্ষার্থীদের হাতে। আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব তোমাদেরকেই দিতে হবে। ইন্টারনেট কোন কাজে ব্যবহার করবে সেটা তোমাদেরকেই নির্বাচন করতে হবে। তোমাদের উপর নির্ভর করবে তোমরা কী গ্রহণ করছো। ভালো জিনিস গ্রহণ করলে ভালো পথে যাবে, আর না করলে বিপথে যাবে। সেটা তোমাদের নিজস্ব ব্যাপার, কারণ এখন হাতে হাতে রয়েছে ইন্টারনেট।

শুক্রবার (১৯ মে) দিনাজপুরের বিরল উপজেলার জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২১ প্রকল্পের আওতায় নবম ও দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ ও ট্যাব বিতরণ, উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আইজিপিএ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে চেক বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর ডিজিটাল বাংলাদেশের যে কনসেপ্ট দেওয়া হয়েছিল তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে একসময় ছাত্রছাত্রীদের পুরাতন বই নিয়েই পরবর্তী ক্লাসে পড়াশোনা করতে হত। এখন প্রতি ক্লাসেই নতুন পাঠ্যবই বিনা মূল্যে পেয়ে পড়াশোনা করছে। এখন প্রাথমিক পর্যায়ে শতভাগ শিশু স্কুলে যাচ্ছে এবং বিনা মূল্যে বই বিতরণসহ উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশ আজকের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের নিতে হবে। এখন মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক পরিবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিজ্ঞান ছাড়া পৃথিবী কখনও চলতে পারে না। মাদরাসায় বিজ্ঞান শিক্ষা চালু করায় আজকের মাদরাসার ছাত্রছাত্রীরা চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছে।

dhakapost
নিরাপদ সবজি উৎপাদনকারী ২০ জন হতদরিদ্র চাষির মাঝে ২০টি ভ্যান বিতরণ করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন সুন্দর সুন্দর ভবন তৈরি করা হয়েছে, যা দূর থেকে দেখলেও অনেক ভালো লাগে। শহরের পাশাপাশি গ্রামের শতভাগ বাড়িতে বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। আজকে ঘরে বসেই পরীক্ষার ফরম ফিলাপ থেকে শুরু করে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে আজকের শিক্ষার্থীরা। ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু থাকায় গ্রামে বসেই কাজ করতে পারছেন অনেকে। অনলাইনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে অনেক।